
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশটির সামরিক কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টারের প্রধান আলী আবদুল্লাহি।
ইরানে যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতায় পাকিস্তান কি নিজ থেকে গেছে, নাকি যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য করেছে?
তিনি বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র যদি তার অবরোধ অব্যাহত রাখে এবং ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেল ট্যাঙ্কারগুলোর জন্য নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে, তবে তা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ‘একটি ভূমিকা’ হিসেবে গণ্য হবে।”
আলী আবদোল্লাহি আরও বলেন, ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে কোনো ধরনের রফতানি বা আমদানি চলতে দেবে না।
যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা ব্যর্থ, চুক্তি ছাড়াই ফেরত যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধি দল
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক বাহিনীর ‘আরও হাজারো’ সদস্য পাঠানোর পরিকল্পনা করছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।
ওয়াশিংটন পোস্টের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবেই ট্রাম্প প্রশাসন এই পদক্ষেপ নিয়ে থাকতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :