
শুক্রবার (১২ জুন) রাত পৌনে ১১টার দিকে স্থানীয়রা খালের পাশে দেহাবশেষ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেটি উদ্ধার করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের কোমর থেকে নিচের অংশ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত ব্যক্তি একজন পুরুষ। তার পরনে একটি জিন্স প্যান্ট ছিল। তবে মরদেহের অবস্থা অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দেহের উপরের অংশ পচে-গলে নষ্ট হয়ে গেছে অথবা হত্যার পর মরদেহ দ্বিখণ্ডিত করে আলাদা স্থানে ফেলে রাখা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, গত ৫ জুন আলমডাঙ্গা উপজেলার চিলাভালকি গ্রামের বাসিন্দা রাফিন (২২) ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। পরিবারের অভিযোগ, ওই রাতেই একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে তাকে অপহরণের দাবি করা হয় এবং ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়।
রাফিনের দাদি আমেনা বেগম বলেন, মুক্তিপণের দাবির বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় রাফিনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও সেই সুযোগ পাননি।
তবে পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ওসি মিজানুর রহমান বলেন, “পরিবারের সদস্যরা দেহাবশেষটি রাফিনের বলে দাবি করছেন। তবে ময়নাতদন্ত, আলামত যাচাই এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাবে।”
শনিবার সকালে দেহাবশেষটি ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
আপনার মতামত লিখুন :