
ঠোঁটের শুষ্কতা কমাতে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার বা পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা যেতে পারে। ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়ার আগেই প্রয়োজন অনুযায়ী আবার ময়েশ্চারাইজার লাগানো ভালো। এতে ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
ঠোঁট ফেটে গেলে এর ওপরের চামড়া টেনে তোলা বা কামড়ানো উচিত নয়। এতে ক্ষত তৈরি হয়ে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ঠোঁট অতিরিক্ত শুষ্ক হলে জোরে ঘষাঘষি বা স্ক্রাব ব্যবহার না করাই ভালো।
শীতের দিনে বাইরে বের হওয়ার সময় ঠোঁটকে ঠান্ডা বাতাস ও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষিত রাখা জরুরি। এ জন্য এসপিএফযুক্ত লিপ বাম বা লিপ ব্যারিয়ার ব্যবহার করা যেতে পারে। সূর্যের আলো ও শুষ্ক বাতাস ঠোঁটের শুষ্কতা ও জ্বালাপোড়া বাড়াতে পারে।
পর্যাপ্ত পানি পান করাও ঠোঁটসহ শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সহায়ক। নিয়মিত যত্ন নেওয়ার পরও যদি ঠোঁট দীর্ঘদিন ফাটা থাকে, রক্তপাত হয়, অতিরিক্ত ব্যথা বা প্রদাহ দেখা দেয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :