হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ ওয়াকফ এস্টেট নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ


হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ ৯৭
হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ ওয়াকফ এস্টেট নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ

হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ ও আহমাদ আলী পাটওয়ারী ওয়াকফ এস্টেট নিয়ে বিভিন্ন মহল অপপ্রচার চালিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন এস্টেটের মোতওয়াল্লী প্রিন্স শাকিল আহমেদ।

সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদ সম্মেলনে এস্টেট নিয়ে নানা অভিযোগ প্রচারের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন তিনি। এতে এস্টেটের সম্পদ ও স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে হয়রানি ও হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এস্টেটের সঙ্গে কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও সম্পত্তিগত বিরোধ নিয়ে একাধিক মামলা আদালতে বিচারাধীন। আদালতের মাধ্যমে কোনো পক্ষ তাদের পাওনা বা বৈধ অধিকার প্রমাণ করতে পারলে ওয়াকফ বিধি অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করা হবে। তবে আদালতের সিদ্ধান্তের আগে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার চালানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মোতওয়াল্লী।

এস্টেটের লিখিত বক্তব্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও আনা হয়েছে। এর মধ্যে ঠিকাদার মো. কবির হোসেন লিটনের বিরুদ্ধে কাজের অর্থ নিয়ে অনিয়ম, হিসাবরক্ষক মো. শাহ আলমের বিরুদ্ধে ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ এবং মোহাম্মদ আলাল হোসেনের বিরুদ্ধে কবরস্থানের জায়গা নিয়ে মালিকানা দাবি ও দখলের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মোতওয়াল্লী পক্ষের দাবি, আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) ১ দশমিক ১৯ একর সম্পত্তি দিয়ে ওয়াকফ এস্টেটের কার্যক্রম শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন মোতওয়াল্লীর সময়ে সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে ৯ দশমিক ৭০ একরে দাঁড়িয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে এস্টেটের অধীনে বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং কয়েকটি মার্কেট নির্মাণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। মোতওয়াল্লী পক্ষের দাবি, এসব কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে আর্থিক জটিলতা ও বিভিন্ন বিরোধ তৈরি হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, হযরত মকিমউদ্দিন শপিং সেন্টারের নির্মাণকাজের জন্য ইসলামী ব্যাংক থেকে দুই ধাপে মোট ৮ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল। করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দার কারণে দোকান বরাদ্দগ্রহীতাদের অর্থ ফেরত দিতে গিয়ে এস্টেট আর্থিক সংকটে পড়ে বলে দাবি করা হয়েছে। ঋণের একটি অংশ পরিশোধে ব্যক্তিগত সম্পত্তি বিক্রি এবং বসতবাড়ি ব্যাংকে মর্টগেজ রাখার কথাও লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

প্রিন্স শাকিল আহমেদ বলেন, ওয়াকফ এস্টেটের সম্পদ ও সুনাম রক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয়, শিক্ষামূলক ও সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে তাঁরা কাজ করছেন। আদালতে বিচারাধীন বিষয়গুলো আইনানুগ প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। পাশাপাশি মিথ্যা তথ্য প্রচার করে এস্টেট ও মোতওয়াল্লী পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন

Google-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

Google-এ পড়ুন লাখোকণ্ঠের খবর 

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন

ই-প্রিন্ট

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১