
অভিভাবকদের দাবি, এ ধরনের খাবার খেলে শিশুদের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক মহলে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ অনিয়মের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। অনেক নেটিজেনরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘স্বদেশ পল্লী’র নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে একাধিক সংবাদকর্মী বিষয়টি জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে তুলে ধরলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ এখনো চোখে পড়েনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে একাধিকবার জানানো হলেও তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে বলে দায়সারা মন্তব্য করছেন। এতে করে সমস্যার সমাধান তো হচ্ছেই না, বরং দিন দিন পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে এ ধরনের অবহেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, নিম্নমানের খাবার সরবরাহ বন্ধ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ও কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।
আপনার মতামত লিখুন :