
সম্প্রতি রবিউল ইসলাম নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো একটি লিখিত অভিযোগে মামুনুর রশিদ বাঁধনের বিরুদ্ধে নিয়োগে অনিয়ম, তদবির, অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়।
তবে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা ও স্থানীয় ব্যক্তিরা দাবি করেন, অভিযোগের বিভিন্ন তথ্য ও পরিচয় নিয়ে অসঙ্গতি রয়েছে। তাঁদের ভাষ্য, এর আগে একই ধরনের আরও দুটি অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছিল। সেগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির নাম ব্যবহার করা হলেও অভিযোগের ভাষা ও বিষয়বস্তুর মধ্যে মিল রয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, আগের একটি অভিযোগে উল্লেখ করা ইব্রাহীম নামের ব্যক্তির পরিচয় সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাওয়া যায়নি। বর্তমান অভিযোগকারী রবিউল ইসলামের পরিচয় সম্পর্কেও নির্ভরযোগ্য তথ্য মেলেনি বলে তাঁদের দাবি। তবে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
আদালতের কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিচার বিভাগীয় নিয়োগ একটি কেন্দ্রীয় ও বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। একজন সেরেস্তাদারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা থাকে না। অভিযোগে উত্থাপিত দাবির পক্ষে কোনো প্রামাণ্য নথি, আর্থিক লেনদেনের তথ্য বা প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যও উপস্থাপন করা হয়নি বলে তাঁদের দাবি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সেরেস্তাদার মো. মামুনুর রশিদ বাঁধন বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, “বিচার বিভাগের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদ্ঘাটিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
আইন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করার অধিকার সবার রয়েছে। তবে অভিযোগ অবশ্যই তথ্য-প্রমাণনির্ভর হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগ মিথ্যা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হলে সেটিও তদন্তের বিষয়। তাঁদের মতে, অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি অভিযোগকারীদের পরিচয়, তথ্যের উৎস এবং একই ধরনের অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে জমা দেওয়ার নেপথ্যের কারণও নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি।
নওগাঁর আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :