
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে শিবচর উপজেলার মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরেরকান্দি এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত শম্পা নাটোরের লালপুর উপজেলার আট্রিকা গ্রামের ছামরুল ইসলামের মেয়ে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে মাদারীপুর সদর উপজেলার বড় মেহের এলাকার শাহাবুদ্দিন হাওলাদারের সঙ্গে শম্পার বিয়ে হয়। তাঁদের এক বছর বয়সী ছেলে আবির। শম্পার মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই শিশুটি নিখোঁজ ছিল।
এ ঘটনায় শম্পার বাবা ছামরুল ইসলাম ২০ আগস্ট শিবচর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ ও র্যাব-৮ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শিবচর ও রাজৈর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফারুক মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে। তিনি শিবচরের বাখরেরকান্দি এলাকার রতন মোল্লার ছেলে।
পুলিশের ভাষ্য, একটি মামলায় শম্পার স্বামী কারাগারে থাকার সময় মাদারীপুর আদালতে ফারুকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে ফারুক শম্পাকে বাখরেরকান্দি এলাকায় নিজের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক জানিয়েছেন। পরে মরদেহ একটি পরিত্যক্ত স্থানে ফেলে রাখা হয়।
পুলিশ বলছে, শিশুটিকে নদীতে ফেলে দেওয়ার বিষয়ে ফারুকের দেওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। শিশুটির সন্ধানে নদী ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চলছে।
আপনার মতামত লিখুন :