
লাখোকণ্ঠ প্রতিবেদক,ঢাকা: শেখ হাসিনাকে নিয়ে বাংলা নিউজ ২৪’র সংবাদ নেতা কর্মীদের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া
বাংলাদেশের বহুল প্রচারিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল,বাংলা নিউজ ২৪ এ গত ২৫ এপ্রিল ২০২৫ প্রকাশিত “নেতাকর্মীরা চান আ. লীগকে বাঁচাতে, শেখ হাসিনা চান পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ” এ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
সংবাদটিতে সাবেক কয়েকজন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীর নাম উল্লেখ না করে তাদের বক্তব্যকে কোড আনকোড করা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রবাসী নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন মানিক তিনি লাখোকণ্ঠকে টেলিফোনে বলেন আমরা
বাংলা নিউজের এই সংবাদটি বিশ্লেষণ করে দেখেছি এ সংবাদে যে মন্ত্রীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে তার সাথে শেখ হাসিনার তৃতীয় মেয়াদে মৎস্য মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা শ ম রেজাউল করিমের সাথে মিল খুঁজে পাওয়া যায়। কারণ সংবাদটিতে উল্লেখ করা হয়েছে শেখ হাসিনার তৃতীয় মেয়াদে মন্ত্রী ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতাও। গুগলে ঘেটে দেখা যায় পশ্চিম ইউরোপ বলতে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, জার্মানী, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, সুইজারল্যান্ড অষ্ট্রীয়া, মোনাকো ইত্যাদি দেশকে বোঝায় এবং শ ম রেজাউল সাহেব পশ্চিম ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে থাকেন বলে জানা গেছে এবং সেখান থেকে তিনি নিজ ফেইসবুকে লাইভে এসে সমসাময়িক বিষয়ে কথা বলেন। অন্যদিকে সংবাদটিতে যে প্রতিমন্ত্রীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে তার সাথে বর্তমানে ইংল্যান্ডে অবস্থানরত খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর মিল খুঁজে পাওয়া যায় তিনি ও সেখান থেকে লাইভে এসে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলেন। মানিক আরো বলেন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে থাইল্যান্ডে বর্তমানে অবস্থান করছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাঃ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম। সংবাদটিতে থাইল্যান্ডে থাকা সেই সাবেক ছাত্র নেতার দিকেই ইংগিত করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে মানিক ছাড়াও সদ্য কারামুক্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধ কৃষকলীগের প্রচার সম্পাদক নুরুল ইসলাম বাদশা
লাখোকণ্ঠকে বলেন,আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সূত্রের সাথে কথা বলে এবং ইংল্যান্ডে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংবাদটিতে আওয়ামী লীগের যে সমস্ত মন্ত্রী-নেতার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অত্যন্ত আস্থাশীল এবং নিয়মিত দলের পক্ষে সভা-সমাবেশ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কথা বলে যাচ্ছেন। তাই কেউই মনে করেনা তারা এধরনের সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। বাদশা তার জেল জীবনের কষ্টের কথা বর্ণনা শেষে বলেন এ সংবাদ পড়ে নির্ভর যোগ্য কোন তথ্য পাওয়া যাচ্ছেনা পুরো সংবাদটি মনে হয় কোন বিশেষ গোষ্ঠী/সংস্থার ইশারায় আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভ্রান্তি-অবিশ্বাস ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই এ ধরণের সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে বলে আমার প্রতীয়মান হয়। তবে এ ব্যাপারে লাখোকণ্ঠের পক্ষ থেকে শ ম রেজাউল ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায় নি।
আপনার মতামত লিখুন :