
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি সোহেলকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী পুলিশের কাজে বাধা দেন। একপর্যায়ে তারা পুলিশের কাছ থেকে সোহেলকে ছিনিয়ে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে কী কারণে সোহেলকে আটক করা হয়েছিল, সে বিষয়ে বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার সরকার বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ তাঁর সন্ধান পাচ্ছিল না।
ওসি বলেন, “হঠাৎ তাঁর সন্ধান পাওয়ার পর পুলিশ সেখানে গিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে। এ সময় জনসম্মুখে আসামি পালিয়ে যান। তাঁকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।”
পুলিশের কাজে বাধা দিয়ে তাঁকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আপনার মতামত লিখুন :