
জেলা প্রশাসন জানায়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগিতায় আয়োজিত এ উৎসবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটক প্রদর্শনী ও গ্রামীণ মেলার আয়োজন থাকবে। সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারি ও ব্যবসায়িক কাজের সূত্রে বারবার কুষ্টিয়ায় আসতেন। শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে বসেই তিনি ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য রচনা করেন, যা তাঁকে নোবেল পুরস্কার এনে দেয়। এ ছাড়া এখানেই তিনি জাতীয় সংগীতসহ বহু কালজয়ী সাহিত্যকর্ম রচনা করেন। কুঠিবাড়িতে এখনো কবির ব্যবহৃত নানা স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষিত রয়েছে।
এবারের আয়োজন উপলক্ষে কুঠিবাড়ি এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও রং করার কাজ সম্পন্ন করেছে প্রশাসন।
রবীন্দ্রপ্রেমীরা বলছেন, কবির স্মৃতিবিজড়িত জিনিসপত্র সংরক্ষণ, কুঠিবাড়ির অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আয়োজনকে আরও জাঁকজমকপূর্ণ করার উদ্যোগ প্রয়োজন। পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে গবেষণার জন্য রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।
শিলাইদহ কুঠিবাড়ির কাস্টোডিয়ান আল-আমিন বলেন, কবির গান, কবিতা ও সাহিত্যকর্মকে ঘিরে এবারের অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে। অতীতের চেয়ে ভালো আয়োজন উপহার দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, দর্শনার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে শিলাইদহ কুঠিবাড়িকে পূর্ণাঙ্গ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হোক।
আপনার মতামত লিখুন :