
শুক্রবার বিকেলে জাগলার চর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার বিকেলে তাদের নোয়াখালী আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সুখচর ইউনিয়নের উত্তর শূল্যকিয়া এলাকার মৃত আবুল খায়েরের ছেলে মো. এনায়েত হোসেন ওরফে এনায়েত খলিফা (৫৬) এবং চরকিং ইউনিয়নের কলাপাড়া এলাকার মৃত খবির উদ্দিনের ছেলে মো. রুবেল (৩০)।
পুলিশ ও বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জাগলার চরের ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট-সংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি অবৈধভাবে অবস্থান নিয়ে বন বিভাগের জমির গাছপালা কেটে জায়গা দখলের চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে ভূমিহীন ও অসহায় মানুষকে জমি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কথিত এজেন্টদের মাধ্যমে বন বিভাগের জমির ‘দাগ’ বিক্রির কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিলে সরকারি কাজে বাধা, হুমকি ও হামলার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে প্রায় ২০ জনকে আসামি করে হাতিয়া থানায় মামলা করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নতুন চর জেগে ওঠার পর থেকেই সেখানে জমি দখল ও জমি দেওয়ার নামে বিভিন্ন তৎপরতা চলছে। জমি পাওয়ার আশায় দরিদ্র ও ভূমিহীনদের কেউ কেউ টাকা দিয়েছেন বলেও জানান তারা।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, সরকারি জমি দখল, সরকারি কাজে বাধা, হুমকি ও প্রতারণার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল বলেন, সরকারি বা বন বিভাগের জমি ব্যক্তিগতভাবে বিক্রি কিংবা বন্দোবস্ত দেওয়ার নামে কেউ টাকা চাইলে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :