
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, দুই পক্ষ যুদ্ধ থামাতে খুব শক্তিশালী সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সম্মত হয়েছে।
হোয়াইট হাউসে হামলা স্থগিতের ঘোষণার পর এই প্রচারণায় ট্রাম্প বলেন, ইরান কখনই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার শর্তে রাজি হয়েছে। আমরা এই বিষয়টির ওপরই সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছিলাম। এটাই ছিল আমাদের পুরো অভিযানের মূল উদ্দেশ্য। চুক্তির ৯৫ শতাংশ জুড়েই রয়েছে এই শর্তটি।
এর আগে ইরানের ওপর পূর্বনির্ধারিত বিমান ও বোমাবর্ষণ সংক্রান্ত সামরিক মিশনগুলো বাতিল করার নির্দেশ দেন ট্রাম্প। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি একটি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ইঙ্গিত দিলেও এর বিস্তারিত শর্তাবলি তখন প্রকাশ করেননি। তবে ট্রাম্পের এই আকস্মিক দাবির পরও তেহরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত শান্তি চুক্তি বা সমঝোতার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা বা সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।
চুক্তির ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধ থামানোর কথা বললেও ইরানের ওপর থেকে এখনই সামরিক চাপ সরাচ্ছেন না ট্রাম্প। তিনি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত এই চুক্তি বা ট্রানজেকশনটি সম্পূর্ণ ও চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে, ততক্ষণ ইরানি বন্দরগুলোতে আন্তর্জাতিক ও বেসামরিক যুদ্ধজাহাজের প্রবেশ এবং বের হওয়ার ওপর মার্কিন নৌবাহিনীর চলমান কঠোর অবরোধ পুরোপুরি জারি থাকবে।
আপনার মতামত লিখুন :