
লাখোকণ্ঠ প্রতিবেদক: লাইসেন্সের স্মার্ট কার্ড় পাওয়া । বছরের পর বছর পার হয়ে যায়। যখন কার্ডটি হাতে পাওয়া যায় দেখা যায় কার্ডটির মান সন্তোষ জনক নয়।দীর্ঘ দশ বছর কার্ডটি বহন করতে হবে ।আরও একটি প্রশ্ন বার বার করা হয়েছে তাহলো মালিকানা বদলি। যেমন মূল রেজিষ্টেশন মিরপুর অফিসে থানা বিভাজনের কারনে অথরিটি উত্তরা বিআরটি । গ্রাহককে মিরপুর থেকে উত্তরায় আবার উত্তরা থেকে মিরপুর পাঠানো হয়। এই ভোগান্তির হাত থেকে নিস্তা র পেতে চেয়ারম্যান মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করা হয়।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা ২০২৪-২৫ এর প্রথম প্রান্তিকের গণশুনানিতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান গৌতম চন্দ্র পাল সরাসরি
জবাব দেন। মেট্রো সার্কেল -৩ এর উত্তরা ডিয়াবাড়ী কার্যালয়ে এ গণশুনানিটি অনুষ্ঠিত হয়।তিনি বলেন সব অভিযোগের সমাধান করা হবে। আমি জানি এখানে অনেকেই হয়রানির শিকার হয়েছেন। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠেছে আমরা
অফিস থেকে একটা তদন্ত কমিটি করে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো এমন আশ্বাসে গনশুনানীতে অংশ গ্রহনকারী একজন হয়রানীতে পড়া ব্যক্তিসহ উপস্হিতরা সন্তষ্ট হয়েছে। সংস্থাটির বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে সেবা প্রত্যাশীরা। এ ছাড়া বিআরটিএ অফিসে বিভিন্ন হয়রানির বিষয়গুলোও উত্থাপন করেন তারা। তবে অভিযোগগুলো লিপিবদ্ধ করে তা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) গৌতম চন্দ্র পাল।
গণশুনানিতে সেবা প্রার্থীরা নানা বিষয়ে অভিযোগ করেছেন । দীর্ঘ দিনের জমে থাকা সমস্যা গুলো চেয়ারম্যান কে পেয়ে মানুষ মন খুলে কথা বলেছেন। তিনি গ্রাহকদের অভিযোগ মন দিয়ে শুনেছেন।
তিনি বলেন, বিআরটিএ’তে সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের সকল অভিযোগের দ্রুত সমাধান করা হবে। উপস্থিত সেবা প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন এখানে সেবা নিতে আসা গ্রাহকরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছে বিষয়গুলো তিনি শুনেছেন। জানতে চেয়েছিলাম
লাইসেন্স পেতে এতো সময় লাগার কারণ তিনি বললেন লাইসেন্স নিয়ে অনেকেই সমস্যা পড়েছেন আমরা জানি, আপনার একটু ধৈর্য ধরেন স্বল্প সময়ের মধ্যে সকল সমস্যা সমাধান করা হবে। যাদেরকে লাইসেন্স প্রিন্ট করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তারা যদি বিষয় গুলো সমাধান না করে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করবো । মালিকানা বদলির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ নিয়ে ভোগান্তির শিকার গাড়ি ব্যবসা মোঃ আশিকুর রহমান অভিযোগ করেছে । হট লাইনে কলকরে সেবা পেতে কষ্ট হয়। কল দিলে রিসিভ হয় । টাকা কাটা যায় উত্তর পাওয়া যায়না। পোষ্ট অফিসে যথা সময়ে গিয়েও কাজ হয়না,বিআরটিআর পোষ্ট অফিসে যাতায়াত আর যাতায়াত।
গণশুনানিতে আরও উপস্থিত ছিলেন— সওজ সংস্থাপন ও টিএ অধিশাখার যুগ্ম সচিব মুহাম্মদ কামরুল হাসান, উপ-পরিচালক এন্ড ফোর্সমেন্ট, মো. হেমায়েত উদ্দিন, বিআরটিএ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিফা নুসরাত, ঢাকা মেট্রো- ৩ সার্কেলের উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) কাজী মো. মোরছালীনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
আপনার মতামত লিখুন :