
নতুন কর্মসূচিতে কৃষি, পর্যটন, পরিবারভিত্তিক পরিচর্যা, বিভিন্ন অমৌসুমি কাজ ও স্বনিয়োজিত পেশায় কর্মী নেওয়া হবে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, অমৌসুমি চাকরিতে ৭৬ হাজার ২০০, পরিবারভিত্তিক পরিচর্যা বা কেয়ারগিভিংয়ে ১৪ হাজার, কৃষি ও পর্যটন খাতে মৌসুমি কাজে ৮৯ হাজার এবং স্বনিয়োজিত কাজে ৬৫০ জনের কোটা রয়েছে।
বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা এ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন।
আবেদন কবে
ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে ২৩ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ৯টা থেকে আবেদনপূর্ব তথ্য জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এটি চলবে ৭ ডিসেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত।
এরপর নির্ধারিত চারটি ‘ক্লিক ডে’তে মূল আবেদন জমা নেওয়া হবে। প্রথম ক্লিক ডে ১২ জানুয়ারি ২০২৭। এদিন কৃষি খাতের মৌসুমি কাজের আবেদন নেওয়া হবে।
৯ ফেব্রুয়ারি পর্যটন খাতের মৌসুমি কাজ, ১৬ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন অমৌসুমি চাকরি এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি পরিবারভিত্তিক সহায়তা ও কেয়ারগিভিং কাজের আবেদন নেওয়া হবে।
কোটা খালি থাকা সাপেক্ষে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
যেভাবে হবে ভিসা প্রক্রিয়া
ইতালির ওয়ার্ক ভিসার জন্য বিদেশি কর্মী নিজে সরাসরি নিয়োগের আবেদন করতে পারেন না। ইতালিতে থাকা নিয়োগকর্তা বা তাঁর অনুমোদিত প্রতিনিধি প্রথমে কর্মীর জন্য ‘নুল্লা ওস্তা’ বা কাজের অনুমতিপত্রের আবেদন করবেন।
নুল্লা ওস্তা অনুমোদিত হলে কর্মী নিজ দেশে ইতালীয় দূতাবাস বা নির্ধারিত ভিসা আবেদনকেন্দ্রের মাধ্যমে ভিসার আবেদন করবেন।
ক্লিক ডেতে আবেদন করা মানেই ভিসা নিশ্চিত হওয়া নয়। তাই নিয়োগপত্র, চাকরির চুক্তি ও নুল্লা ওস্তার সত্যতা যাচাই না করে কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীকে টাকা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত তিন বছরে মোট ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫০ জন বিদেশি কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ইতালির।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :