শিশু আছিয়া হ.ত্যা ও ধ.র্ষ.ণ: হাইকোর্টের রায়ে হিটু শেখের মৃ.ত্যু.দ.ণ্ড বহাল


লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ ১৮৪
শিশু আছিয়া হ.ত্যা ও ধ.র্ষ.ণ: হাইকোর্টের রায়ে হিটু শেখের মৃ.ত্যু.দ.ণ্ড বহাল

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে হাইকোর্টের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

এর আগে গত ২৫ আগস্ট রায় ঘোষণার কথা থাকলেও রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ঠিক করেন আদালত।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক। তাকে সহায়তা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি। হিটু শেখের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান।

মাগুরা সদর উপজেলার নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে গত বছরের ৫ মার্চ রাতে ধর্ষণের শিকার হয় শিশু আছিয়া। রমজানের ছুটিতে সেখানে বেড়াতে গিয়েছিল সে। বোনের শ্বশুর হিটু শেখ শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করেন বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়।

পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা যায় আট বছর বয়সী আছিয়া। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করে। ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। ২৭ এপ্রিল শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলায় ২৯ জন সাক্ষ্য দেন। ৭ মে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়।গত বছরের ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। পরে ১৭ মে রায় ঘোষণা করেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান।

রায়ে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখকে (৪৭) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। তারা হলেন নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ (১৯), সজীবের ছোট ভাই (১৭) ও তার মা জাহেদা বেগম (৪০)।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোনো বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দিলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার নথি উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ মে এ মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক তৈরির জন্য তা বিজি প্রেসে পাঠানো হয়।

পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ার পর গত ৮ জুন তা হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পরে মামলাটি শুনানির জন্য বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসে।

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন

Google-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

Google-এ পড়ুন লাখোকণ্ঠের খবর 

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০