রবিউলকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী


প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : ১০ জানুয়ারি, ২০২৪, ৯:০০ অপরাহ্ণ
রবিউলকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী

বাহাদুর আলম,ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের নির্বাচিত র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীকে নতুন মন্ত্রীসভার মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় জেলার দলীয় নেতাকর্মী, সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণ।

 

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে টানা ৪র্থ বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মোকতাদির চৌধুরী।

 

ছাত্রলীগের এক সময়ের দুঃসময়ের কান্ডারী ছিলেন মোকতাদির চৌধুরী। ৭৫ পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সঙ্কটকালে জেল-নির্যাতনের শিকারও হয়েছেন তিনি।

 

এছাড়াও মহান মুক্তিযুদ্ধে তার রয়েছে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। তিনি একজন যোদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা।  পরবর্তীতে সরকারের সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তা হিসেবে একজন সফল আমলা হিসেবে সাফল্য ও কৃতিত্বের দাবিদার তিনি। ১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তৎকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোকতাদির চৌধুরী।

 

এ সুবাধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উন্নয়নে ঈর্ষণীয় ভূমিকা রাখেন তিনি।  বর্তমানে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।  এতে করে দলকে সুসংগঠিত করার ব্যাপারে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।  তার আমলেই জেলা সদর ও বিজয়নগর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন কর্মকান্ড হয়েছে বলে দাবি জেলা আওয়ামী লীগের।

 

এছাড়া বিজয়নগরকে উপজেলা করার ব্যাপরে তার ভূমিকা সর্বজন স্বীকৃত।

 

সাবেক এই আমলা ২০১১ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট লুৎফুল হাই সাচ্চুর মৃত্যুর পর শুন্য হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই সময় থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনগণ তাকে মন্ত্রীসভায় স্থান দেয়ার জন্য দাবি জানিয়ে আসছেন। পরবর্তীতে ২০১৪ – ২০১৮ সালেও দলের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত তিনি।

 

জানা যায়, স্বাধীনতার পর থেকে আওয়ামী লীগের শাসনামলে সদর আসন থেকে নির্বাচিত কাউকেই মন্ত্রী করা হয়নি।  গত ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ার পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা এ বি তাজুল ইসলামকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবং ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে নির্বাচিত হওয়া শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর মরহুম ছায়েদুল হককে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) থেকে নির্বাচিত হয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পান এ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

 

এবার দলকে সুসংগঠিত করা ও উন্নয়নে অবদানের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার মূল্যায়ন মোকতাদির চৌধুরী পাবেন বলে আশা করছেন জেলার দলীয় নেতাকর্মী ও জনগণ।  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সাধারণ জনগণ জেলা সদরের এমপি হিসেবে মোকতাদির চৌধুরীকে মন্ত্রী বানানোর জন্য আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছে জোর দাবি জানিয়েছে।

 

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও সাবেক মেয়র হেলাল উদ্দিন বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার জন্য যেখানেই গিয়েছি সেখানেই মানুষ প্রত্যাশা জানিয়েছে মোকতাদির চৌধুরী বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে মন্ত্রীসভায় স্থান পাবেন। দলে তার অনেক অবদান রয়েছে। তিনি দলের সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে সুসংগঠিত করেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাএলীগের সাধারণ সম্পাদক শোভণ বলেন,ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকর বার বার নির্বাচিত জনতেতা উন্নয়নের রূপকার হিসেবে জনগণের আস্থা ও ভরসার প্রতীক রবিউল ভাই ।ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর প্রাণের দাবি উনাকে মন্ত্রী হিসাবে আমরা চাই।

তরী বাংলাদেশের আহবায়ক শামীম আহমেদ বলেন, বিগত দিনে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু, মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন মোকতাদির চৌধুরী। নিরাপদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাতিঘর ও উন্নয়নের রূপকার হিসেবে জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন তিনি। উনি মন্ত্রী হলে দেশ ও জাতির কল্যাণের উনার মেধা ও কৌশল কাজে লাগানো সুযোগ পাবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

 

একই ধরনের দাবি জেলার প্রত্যেক উপজেলাসহ তৃণমূল আওয়ামী লীগ ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গের