
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ব্রাজিল। বল দখল ও আক্রমণ- দুই দিকেই এগিয়ে থেকে হাইতির রক্ষণে চাপ তৈরি করে তারা। ১২তম মিনিটেই রাফিনিয়া বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়।
এরপর ২২তম মিনিটে বড় সুযোগ নষ্ট করেন এই বার্সেলোনা উইঙ্গার। ডান প্রান্ত দিয়ে উঠে আসা আক্রমণে গোলরক্ষককে একা পেয়েও লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে হতাশ করেন তিনি। তবে সেই ব্যর্থতার পরও ব্রাজিলের আক্রমণের গতি কমেনি।
ম্যাচের ২৩তম মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোল আসে। হাইতির রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন ম্যাথিউস কুনিয়া। চাপ ধরে রেখে ৩৬তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এই ফরোয়ার্ড। সেই সঙ্গে ব্যবধানও দ্বিগুণ করেন তিনি।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে ধাক্কা খায় ব্রাজিল শিবির। চোটের কারণে ৪০তম মিনিটে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন রাফিনিয়া। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন রায়ান।
যোগ করা সময়ে আসে তৃতীয় গোল। ভিনিসিয়াস জুনিয়রের দারুণ ফিনিশিংয়ে ৩-০ ব্যবধানে স্বস্তিদায়ক লিড নিয়ে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ব্রাজিলের হাতেই থাকে। বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও তারা আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। তবে এই অর্ধেও একটি গোল করে ব্রাজিলের এন্ড্রিক- যা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়।
অন্যদিকে, হাইতি কয়েকবার আক্রমণে উঠলেও ব্রাজিলের সংগঠিত রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি। হাইতির দুর্দান্ত আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন ব্রাজিলের গোল কিপার অ্যালিসান বেকার।
শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধের তিন গোলই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয়। কুনিয়ার জোড়া গোল ও ভিনিসিয়াস জুনিয়রের এক গোলে ৩-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে বিশ্বকাপ মিশনে দুর্দান্ত অবস্থানে এখন ব্রাজিল।
আপনার মতামত লিখুন :