
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক খোলা বার্তায় তিনি এ প্রতিবাদ জানান।
আবদুর রহিম আল মাদানী উল্লেখ করেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হাসনাত আবদুল্লাহর সাহসিকতা দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করেছিল এবং এতে আলেম-উলামা ও তাওহিদী জনতার পূর্ণ সমর্থন ছিল। কিন্তু সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনার পর তার নেওয়া রাজনৈতিক অবস্থান অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী দারুল আরকাম মাদ্রাসার সামনে উচ্চ শব্দে ডিজে গান বাজানোর ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও পরীক্ষা ব্যাহত হচ্ছিল। শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানালে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং অনেকে রক্তাক্ত হয়। পরবর্তী সময়ে প্রশাসন গান বন্ধ করলেও, এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ সংসদে ‘কেন গান বন্ধ করা হলো’—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, যা অনাকাঙ্ক্ষিত।
মাওলানা মাদানী তার বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক আদর্শ স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনি যদি সেকুলার নীতিকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে চান, তবে তা জাতির সামনে স্পষ্ট করুন। এতে আলেম-উলামা ও তাওহিদী জনতা আপনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাবে। আর যদি ধর্মপ্রাণ মানুষকে পাশে চান, তবে শরিয়াবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিন এবং আহত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ান।’ নতুনভাষা শেখার রিসোর্স ব্যবহার করা
উল্লেখ্য, আবদুর রহিম আল মাদানী কারওয়ান বাজারের ঐতিহ্যহাসিক আম্বরশাহ শাহী জামে মসজিদ এবং গাজীপুরের বোর্ডবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের প্রধান খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আপনার মতামত লিখুন :