
কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড। এখানেই মাথা গোঁজার একমাত্র সম্বল ভাঙা ঘরটিতে চরম কষ্টে দিনাতিপাত করছেন হতদরিদ্র তাজুল ইসলাম ও তার পরিবার।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঘরের চালায় কোনো টিন নেই। পুরনো বাঁশ আর পলিথিনে কোনো রকমে জোড়াতালি দিয়ে বৃষ্টি-রোদ থেকে বাঁচার চেষ্টা করছেন তারা। একটু বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতর পানি পড়ে, ভিজে যায় বিছানা-পত্র। রাতের বেলা খোলা চালা দিয়ে আকাশ দেখা যায়। এই অবস্থায় শিশু সন্তানদের নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটছে তাজুল ইসলামের।
কান্না জড়িত কণ্ঠে তাজুল ইসলাম বলেন, “আমার এই ভাঙা ঘর ছাড়া আর কিছুই নাই। একটা টিনের অভাবে রাইতে ঘুমাইতে পারি না। বাচ্চাগুলো নিয়ে বৃষ্টি আইলে ভিজে যাই। আমি গরিব মানুষ, টিন কিনার টাকা নাই।”
জানা গেছে, সরকারি সহায়তার আশায় তিনি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে বারবার আবেদন করেছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সহায়তা পাননি।
স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি কুলাউড়ায় মাননীয় সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, সেই তালিকায় নাম ওঠেনি এই প্রকৃত অভাবী মানুষটির। যাদের ঘর আছে, স্বচ্ছল, তাদের নাম তালিকায় এলেও তাজুলের মতো ভূমিহীন, দিনমজুরের খোঁজ কেউ রাখেনি।
এলাকাবাসীর দাবি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত হতদরিদ্র তাজুল ইসলামকে সরকারি ঢেউটিন বরাদ্দ দিয়ে তার পরিবারকে এই মানবেতর জীবন থেকে মুক্তি দেওয়া হোক।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
আপনার মতামত লিখুন :