
শিক্ষার্থীদের মাঝে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শতভাগ পেশাদারিত্বে বিশ্বাসী এই শিক্ষক দীর্ঘ ৩১ বছর ধরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করে আসছেন। তার ডায়নামিক নেতৃত্ব, পাঠদান পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃজনশীলতা ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বলে জানান সহকর্মী ও অভিভাবকরা।
শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছে। বিগত করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যাক্তির লাশ দাফন, কর্মহীন মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ, স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ, শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং বন্যার্তদের মাঝে খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম করে সুনাম অর্জন করেছেন। নানান প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে নিজের অবস্থান ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।
তার এই সাফল্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগী মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, তার এই অর্জন রায়পুর উপজেলার শিক্ষাঙ্গনে অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। ইতিমধ্যে তিনি উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় রায়পুর উপজেলায় দুই ক্রাইটেরিয়াতেই শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :