
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের প্রকাশিত ফলাফলে এই তথ্য উঠে এসেছে। ফল ঘোষণার পর সাংবাদিকদের তাকাইচি বলেন, আমরা সবসময় দায়িত্বশীল ও সক্রিয় রাজস্বনীতির গুরুত্বের কথা বলে এসেছি। আমরা রাজস্বনীতির টেকসই ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দেব এবং প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করব। খবর আল জাজিরার।
জনপ্রিয়তা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে জাপান শাসন করা এলডিপি সাম্প্রতিক সময়ে অর্থায়ন ও ধর্মীয় কেলেঙ্কারিতে চাপের মুখে পড়েছিল। রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করতে ক্ষমতায় আসার মাত্র তিন মাসের মাথায় তাকাইচি এই নির্বাচনের ডাক দেন।
তবে খাদ্যপণ্যে আরোপিত ৮ শতাংশ বিক্রয় কর সাময়িকভাবে স্থগিত করার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। উন্নত দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঋণের বোঝা বহন করা জাপান এই করছাড়ের অর্থায়ন কীভাবে করবে—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তীব্র শীত ও কিছু অঞ্চলে রেকর্ড তুষারপাতের মধ্যেও ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন। কোথাও কোথাও তুষারঝড়ের কারণে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং কিছু ভোটকেন্দ্র আগেভাগেই বন্ধ করতে হয়।
আপনার মতামত লিখুন :