চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে চলছে নানা আলোচনায় আলহাজ্ব মশিউর রহমানের নাম


প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে চলছে নানা আলোচনায় আলহাজ্ব মশিউর রহমানের নাম

শিমুল রেজা, চুয়াডাঙ্গা: আসন্ন দর্শনা পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, ব্যবসায়ী মহল, চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও চলছে নানা আলোচনা। এসব আলোচনায় উঠে আসছে দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয় কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক ও মেমনগর বিডি বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সভাপতি আলহাজ্ব মশিউর রহমানের নাম।

স্থানীয় নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় আলহাজ্ব মশিউর রহমান অনেকেই ত্যাগী ও পরীক্ষিত সংগঠক হিসেবে দেখেন। আন্দোলন-সংগ্রামের সময় তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দর্শনা পৌর বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, “দলের দুঃসময়ে আলহাজ্ব মশিউর রহমান রাজপথে ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের জন্য কাজ করছেন। প্রার্থী হলে নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে।”

দর্শনা শহরের এক ব্যবসায়ী বলেন, “দর্শনা পৌরসভা এখন বড় একটি নগর এলাকায় পরিণত হয়েছে। নাগরিক সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে অভিজ্ঞ ও সাহসী নেতৃত্ব প্রয়োজন। আলহাজ্ব মশিউর রহমান দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে রাজনীতি করছেন, তাই অনেকেই তাকে মেয়র হিসেবে দেখতে আগ্রহী।” এ বিষয়ে আলহাজ্ব মশিউর রহমান বলেন, “আমি দীর্ঘদিন যাবৎ দর্শনা পৌরবাসীর জন্য কাজ করে যাচ্ছি এ এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে, আপদে-বিপদে সাধ্যমতো অবদান রাখার চেষ্টা করেছি।আমার এ যাত্রা এখানেই শেষ নয়। অতীতে যেমন আপনাদের পাশে ছিলাম, ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও তেমনি আপনাদের পাশেই থাকবো।

দর্শনা পৌর মেয়র প্রার্থী সম্পর্কে জানতে চাইলে আলহাজ্ব মশিউর রহমান বলেন, আমি দলের সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও সম্মান করি। আমার নেতা বিজিএমইএ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু ও জনগণ যদি আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে দর্শনা পৌরবাসীর উন্নয়ন, সুশাসন এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

দর্শনা পৌরসভাটি ১৯৯২ সালে বিএনপি সরকারের আমলে দর্শনা ইউনিয়নকে বিভক্তি করে প্রতিষ্টিত লাভ করে দর্শনা পৌরসভা। ১৯৯১ সালের ২৭ নভেম্বর ২০ টি গ্রাম নিয়ে দর্শনাকে পৌরসভায় রূপ দেয়া হয়। দর্শনা পৌরসভা ঘোষণার একই বছরে পৌরসভাটি ‘খ’ শ্রেণীতে উন্নীত মর্যাদা লাভ করে। প্রায়১২ দশমিক ৪৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের দর্শনা পৌরসভায় বর্তমানে আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষের বসবাস।

বর্তমানে পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার মোঃ শাহিন আলম। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দ্রুত দর্শনা পৌর এলাকায় পরিকল্পিত উন্নয়ন, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সেবা আরও শক্তিশালী করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এসব বিষয়কে সামনে রেখেই আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনা বাড়ছে। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন ও ভোটারদের রায়ের ওপরই নির্ভর করবে কে হবেন আগামী দিনের দর্শনা পৌরসভার মেয়র। এরই মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আলোচনায় আলহাজ্ব মশিউর রহমানের নাম উল্লেখযোগ্য ভাবে সামনে চলে এসেছে।