
চুলের রঙ তৈরি করে যে কোষগুলো—মেলানোসাইট—সেগুলো মেলানিন নামের রঞ্জক তৈরি করে। এই রঞ্জকই চুলকে কালো বা বাদামি রঙ দেয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কোষগুলো ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। একসময় তারা আর রঙ তৈরি করতে পারে না—তখনই চুল ধূসর বা সাদা হয়ে যায়।
অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে—ভিটামিন বি-১২, ডি, আয়রন, জিংক, কপার (তামা)- এই পুষ্টিগুলোর ঘাটতি থাকলে চুল আগেভাগেই পেকে যেতে পারে।
বিশেষ করে বি-১২—যা রক্তের মাধ্যমে চুলের গোড়ায় অক্সিজেন পৌঁছে দেয়—তার অভাব হলে চুলের রঙ তৈরির প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। আবার অতিরিক্ত স্ট্রেস, দূষণ, ধূমপান—এসবও শরীরে ‘অক্সিডেটিভ স্ট্রেস’ বাড়ায়, যা চুল পাকার গতি বাড়াতে পারে।
এটা কি ঠেকানো যায়? সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সত্য হলো—সব ক্ষেত্রে না। যদি কারণটা জিনগত হয়, তাহলে চুল পাকা পুরোপুরি থামানো প্রায় অসম্ভব। তবে যদি পুষ্টির ঘাটতি বা জীবনযাপনের কারণে হয়, তাহলে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
চিকিৎসকেরা বলেন—সুষম খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ কমানো, প্রয়োজন হলে ডাক্তার পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট-এসব কিছু ক্ষেত্রে চুলের অবস্থার উন্নতি ঘটাতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :