
মঙ্গলবার (১২ মে) নয়াদিল্লিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন জয়সওয়াল। এ সময় বাংলাদেশকে জ্বালানি সহায়তা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধের জেরে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের মধ্যেও নয়াদিল্লি ঢাকার অতিরিক্ত জ্বালানি চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে যে বার্তা দিলেন হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সম্প্রতি দিল্লি সফর করেন। বিপরীতে ঢাকা সফর করেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এই দুই সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জয়সওয়াল বলেন, এটাই বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের গতিপথ।
বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করছে ভারত
চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোকে ভারত সহায়তা করছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশেও জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা হাই-স্পিড ডিজেল ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করে আসছি। বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত চাহিদাও আমরা পেয়েছি এবং সেগুলো পূরণও করেছি ও এখনো করে যাচ্ছি।
সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমি ৪৫ দিনের মধ্যে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে জয়সোয়াল বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার। এই সিদ্ধান্ত আমরা সেই দৃষ্টিতেই দেখি।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কথা বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। গত সোমবার (১১ মে) সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তিনি জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফকে ৪৫ দিনের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেবে তার সরকার।
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতের ভিসা প্রাপ্তি দ্রুতই স্বাভাবিক হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এ নিয়ে এদিন এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন, কাঁটাতার দিয়ে বাংলাদেশকে এখন আর ভয় দেখানোর সুযোগ নেই। বাংলাদেশের মানুষ ও সরকার কাঁটাতার ভয় পায় না।
আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যকে গুরুত্বহীন বলে আখ্যা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) তিনি বলেন, সিদ্ধান্তটি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এলেই সরকার কূটনৈতিক আলোচনায় বসবে।
আপনার মতামত লিখুন :