
মঙ্গলবার শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারের (এসপি) সরকারি গাড়িসহ চারটি সরকারি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে পুলিশ সুপারসহ অন্তত ১৮ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিখোঁজ হওয়া শিশুটির মরদেহ উপজেলার একটি ভুট্টাখেত থেকে উদ্ধার করা হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে শিশুহত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়।
ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)কে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও অন্যান্য আলামত পর্যালোচনার মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে হত্যাকাণ্ড, সরকারি কাজে বাধা, ভাঙচুর ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর অভিযোগে করা তিনটি মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
লালমনিরহাটের আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
আপনার মতামত লিখুন :