
স্থানীয়দের অভিযোগ, আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি পরিবারের সদস্যরা সম্প্রতি প্রকল্পের দুটি সরকারি টিউবওয়েল খুলে নিয়ে গেছেন। পাশাপাশি একটি ঘরের দরজা ভেঙে চুরি করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনের অভিযোগ রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রকল্পের অন্য বাসিন্দাদের সঙ্গে বিরোধের ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান। এর আগে প্রকল্পের এক বাসিন্দাকে মারধরের অভিযোগে পরিবারটি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিল। পরে প্রায় এক বছর পর তারা আবার প্রকল্পের ঘরে ফিরে আসে বলে জানা গেছে।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই পরিবারের পক্ষ থেকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের সরকারি ঘরটি বিক্রির জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সাইদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ঘরটি ৫০ হাজার টাকায় বিক্রির জন্য দরদাম করার অভিযোগও করেছেন তারা। স্থানীয় এক ভূমিহীন ব্যক্তি বিষয়টি জানতে পেরে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
পরে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। তবে অভিযোগ ওঠার পরও সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর ও অন্যান্য সম্পদ নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বেচাকেনার সুযোগ নেই। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে অবহিত করা হলে তাঁরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত পরিবারের সদস্য ও ইউপি সদস্য মো. সাইদুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও সরকারি সম্পদ চুরির বিষয়ে প্রশাসনের তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :