
এ ঘটনায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করে হাতিয়া থানায় এজাহার দিয়েছেন তিনি।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৫ আগস্ট রাত আনুমানিক দুইটার দিকে হাতিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বেজুগালিয়া এলাকায় হাজী জামাল উদ্দিনের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাঁর পূর্ববিরোধ ছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাজী জামাল উদ্দিনের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র, লাঠি ও লোহার রড নিয়ে অভিযুক্তরা তাঁর বাড়িতে হামলা চালান। তাঁরা দরজা-জানালায় আঘাত করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। তিনি ঘর থেকে বের হলে তাঁকে লক্ষ্য করে রড ও লাঠি নিক্ষেপ করা হয়। পরে তিনি ঘরে ঢুকে পড়লে হামলাকারীরা ঘরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীদের মধ্যে দুজন আলমারি ও ড্রয়ার ভেঙে প্রায় তিন ভরি স্বর্ণালংকার এবং দুই লাখ টাকা নিয়ে যান। অন্যরা ঘরের বিভিন্ন মালামাল ও গৃহপালিত হাঁস-মুরগি নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।
পরে কয়েকজনের সহযোগিতায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে প্রশাসনের সহায়তায় তাঁরা উদ্ধার পান বলে জানান হাজী জামাল উদ্দিন।
এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। সেখানে গুরুতর কোনো ঘটনা ঘটেনি। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা ও জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন :