
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলওয়ে স্টেশনে নতুন স্টেশন মাস্টারের যোগদানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় মামুনুর রশীদ নামে নতুন স্টেশন মাস্টার দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলওয়ে স্টেশনে যোগদান করতে আসেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে যোগদানে বাধা দেন। পরে তিনি যোগদান না করেই সেখান থেকে চলে যান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, মামুনুর রশীদ আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ ও যুবলীগের তালিকাভুক্ত নেতা। তাকে দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলওয়ে স্টেশনে যোগদান না করিয়ে অন্যত্র বদলি করার দাবি জানান তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মামুনুর রশীদ। তিনি বলেন, ‘আমাকে মিথ্যাভাবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়ানো হচ্ছে। আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নই। পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’ এ ঘটনার সঙ্গে স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার নাজমা ইয়াসমিন জড়িত বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে মামুনুর রশীদের এ অভিযোগ অস্বীকার করে নাজমা ইয়াসমিন বলেন, সরকারি আদেশের বাইরে তার কিছু করার সুযোগ নেই। মামুনুর রশীদ যোগদান করবেন, এতে তার কোনো আপত্তি নেই। তাকে রেলইয়ার্ডের ভেতরে কেউ মারধর বা হুমকি দেয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
দর্শনা রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী সার্কেলের ইন্সপেক্টর মো. আলতাফ হোসেন বলেন, নতুন স্টেশন মাস্টার মামুনুর রশীদের যোগদানের বিষয়টি তিনি জানেন। তবে মারধরের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। রেলইয়ার্ডের ভেতরে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও জানান তিনি।
ঘটনাটি নিয়ে স্টেশন এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও প্রকৃত ঘটনা ও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
আপনার মতামত লিখুন :