
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ৮০তম অধিবেশনের সমাপ্তি পর্ব ও ৮১তম অধিবেশনের নবনির্বাচিত সভাপতির আনুষ্ঠানিক শপথ অনুষ্ঠিত হয়।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, বিশ্বের সব সমস্যার দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে—এমন সরল ধারণা তাঁর নেই। কিছু সমস্যা সমাধান ছাড়াই থেকে যেতে পারে, আবার কিছু সমস্যার সমাধানে সময় লাগতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে যেখানে সমাধানের সুযোগ রয়েছে, সেখানে সহাবস্থানের পথ খোঁজার চেষ্টা করা হবে না।
তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের পুরো সময় তিনি সমস্যা সমাধানের সম্ভাব্য পথ খুঁজে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
খলিলুর রহমান বলেন, সদস্যরাষ্ট্রগুলো একসঙ্গে কাজ করলে তাঁর দায়িত্ব পালন অনেক সহজ হবে। একই সঙ্গে জাতিসংঘের সংস্কার এবং মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বৈশ্বিক সংস্থার সংস্কারসংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
জাতিসংঘের কার্যক্রমে নাগরিক সমাজ, ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে আরও সম্পৃক্ত করার আশাও প্রকাশ করেন নতুন সভাপতি।
বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জাতিসংঘে প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে খলিলুর রহমান বলেন, এর আগে তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রধানের রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে সময় তিনি রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগ ও নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা সরাসরি দেখেছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও রাজনীতিবিদ হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী। তাঁর পর এবার দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন ড. খলিলুর রহমান।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :