
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের গ্লোপপুর গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বাবুল ফরাজী মুচিবাড়ি কোনা এলাকার জাফরের দোকানে ওষুধ কিনতে গেলে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বাবুলের পরিবারের দাবি, এ সময় আব্দুল গফুরসহ কয়েকজন তাঁকে মারধর করেন এবং বৈদ্যুতিক শর্ট দেন। পরে বাবুলের ছেলে রায়হান জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে তজুমদ্দিন ৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডের ১৪ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় বাবুলের স্ত্রী জোসনা বেগম থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শামসুল হককে একইভাবে মারধর ও বৈদ্যুতিক শর্ট দেওয়ার অভিযোগেও থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন আব্দুল গফুরের বিরুদ্ধে মাদক, চুরি, ডাকাতি ও লুটপাটে জড়িত থাকার অভিযোগ করলেও এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো তথ্য বা নথি প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল গফুর বলেন, নুরুউদ্দিন, বাবুল, শামসুল হক ও রায়হানসহ কয়েকজন তাঁকে মারধরের উদ্দেশ্যে লাঠিসোঁটা নিয়ে বাজারে এসেছিলেন। এ সময় তিনি ও তাঁর পক্ষের লোকজন তাঁদের ধাওয়া দেন। বুধবার তিনি নিজেও হামলার শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে দাবি করেন গফুর। এ ঘটনায় তিনিও থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানান।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে আব্দুল গফুরকে কিছুটা আহত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং বাবুল ফরাজীকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। ঘটনায় দুটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :