
তিন দিনব্যাপী এ স্মরণোৎসব চলবে ১৭ থেকে ১৯ অক্টোবর। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধু-বাউল ও লালনভক্তরা আসতে শুরু করেছেন। আয়োজক কমিটির সদস্য আলমাস হোসেন জানান, প্যান্ডেল নির্মাণ ও মাঠের উন্নয়নকাজ প্রায় শেষ। এবার মেলার জন্য আলাদা রাস্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
লালন অনুসারীদের মতে, এ আয়োজন শুধু স্মরণোৎসব নয়; সাধুসঙ্গ, আত্মসাধনা ও মানবতার দর্শন চর্চার ঐতিহ্যবাহী মিলনক্ষেত্র। জাতপাত ও ধর্মীয় বিভেদের ঊর্ধ্বে মানুষকে দেখার যে দর্শন লালন তাঁর গানে তুলে ধরেছেন, তা আজও মানুষকে আকৃষ্ট করে।
উৎসব নির্বিঘ্ন করতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন। কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাভিদ সারওয়ার জানান, জেলা পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি ও মেলার মাঠ এবং মাজার এলাকায় টহল অব্যাহত রয়েছে।
তিন দিনের এ স্মরণোৎসবে সাধু-বাউল, ভক্ত ও দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণে ছেঁউড়িয়া পরিণত হবে সম্প্রীতি ও মানবতার মিলনমেলায়—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
আপনার মতামত লিখুন :