বাজেট ২০২৬-২৭: কৃষিতে বরাদ্দ ৪৩ হাজার কোটি


লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : ১২ জুন, ২০২৬, ১:০৪ অপরাহ্ণ
বাজেট ২০২৬-২৭: কৃষিতে বরাদ্দ ৪৩ হাজার কোটি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৪৩ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা জিডিপির ০.৬৩ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৭ হাজার ১২৬ কোটি টাকা; যা জিডিপির ০.৬১ শতাংশ।

সে হিসাবে এই খাতে ছয় হাজার ২০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষি উৎপাদন ব্যয় কমাতে কৃষি ও কৃষিভিত্তিক শিল্পের একাধিক খাতে কর ও শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে উৎস কর কমানো থেকে শুরু করে সার, কীটনাশক, ভেটেরিনারি ওষুধ, পশুখাদ্য ও কৃষি যন্ত্রাংশ আমদানিতে বড় ধরনের সুবিধা রাখা হয়েছে।

সরকার ধান, চাল, গম, আলু, মাছ, মাংস, ডিম, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেলসহ প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যের ওপর উৎস কর কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে।

বর্তমানে ১ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যমান কর কমিয়ে তা ০.৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।দেশীয় তেলবীজ থেকে ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী শিল্পকে উৎসাহ দিতে নতুন বিনিয়োগে প্রথম পাঁচ বছর কর অব্যাহতি, পরবর্তী তিন বছর ৫০ শতাংশ এবং এরপর দুই বছর ২৫ শতাংশ কর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে কীটনাশক ও বালাইনাশক উৎপাদনে ব্যবহৃত ৩৬টি কাঁচামাল আমদানিতে ভ্যাট সম্পূর্ণভাবে শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে। এ ছাড়া জিংক সালফেট সার উৎপাদনের মূল কাঁচামাল জিংক অ্যাশ আমদানিতে শুল্ক সম্পূর্ণ মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা সারশিল্পকে স্বনির্ভর করতে সহায়তা করবে।

ভেটেরিনারি ওষুধ আমদানিতে জেনেরিক পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শতাংশ রেয়াতি সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি পোলট্রি, ডেইরি ও মৎস্য খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামালে নতুন করে কর ছাড় যুক্ত করা হচ্ছে। পোলট্রি ও ডেইরিশিল্পের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতেও শুল্ক শূন্য শতাংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে; যাতে খামার পর্যায়ে উৎপাদন ব্যয় কমে।

দেশীয় কাজুবাদাম চাষকে সুরক্ষা দিতে অপ্রক্রিয়াজাত ও প্রক্রিয়াজাত কাজুবাদামের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপ্রক্রিয়াজাত আমদানিতে পৃথক হার নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশীয় মৎস্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পকে সুরক্ষা দিতে আমদানি করা পাঙ্গাশ ফিলেটে ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।

কৃষিকাজে ব্যবহৃত সব ধরনের সারের ব্যবসায়ী পর্যায়ে বিদ্যমান ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০