
ইসমাইল হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক:বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের দুরর্নীতি শেষ নেই।
অফিস সহকারী মাকসুদা চাকুরীতে যোগদান করার পর থেকে অধ্য পর্র্যন্ত প্রায় বিশ বছরের অধিল সময় একই অফিস সহকারী চেয়ারে বসে নিজের মত কাজ করে যাচ্ছেন। অপর দিকে অফিস সহকারী তৌফিক ২০০৭ সালে জাতির পিতার ছবি নিজে নামিয়ে দিয়ে সাংবাদিক নিয়ে নিউজ পত্রিকায় করার যার তদন্ত রিপোর্টে ধরা পরে বদলী হলে সিলেট বিভাগ। সেখান থেকে আবার বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলায় বদলী হয়ে আসে। বদলী হওয়ার পরে ডেপুটেশনে সে মুলাদীতে কাজ করে এখন স্থায়ী বদলী হয়ে মুলাদীতে কাজ করছে। আরেক অফিস সহকারী মমতাজ, পি আর এর ফাইল রেডি করে দিয়ে প্রতি ফাইলে পঞ্চাশ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত ডিজিটাল পদ্ধতিত চাকরীর শেষ জীবনের সঞ্চয় পেনশন আনতে গেলে সে হাতে টাকা না নিয়ে যারে পেনশন ফাইল রেডি তাকে ডারেক বলে টাকা নিতে হলে চেক নিয়ে আসবেন তিনটি। তৌফিক টাকা ছাড়া কোন কাজ করছে না। ঔঘধ বিতরন করতে গেলেও টাকা দিতে হবে না সে ঔষধ পারে না। শুধু তাই নয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যদি গোপনে মুলাদী উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ঔধষের গোডাউন তল্লাশি করেন তাহলে সেখানে পাওয়া যাবে মেয়াদ উর্ত্তীন ঔষধ।নতুন ঔষধগুলো সে বিক্রি করে দিয়ে, মেয়াদ উর্ত্তীন ঔষধ বিতরন করেন।
অপর দিকে এফ.ডব্লিউ.বি সদর ভিজিটার সোনিয়া ও এম.সি. এইচ ভিজিটার রুবিনা তাদের কথা বলতে গেলে গলা শুকিয়ে যায়। মুলাদি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সদর এর এফ.ডব্লিউ.বি বিজিটার ও এম.সি.এইচ বিজিটর একসাথে বলে গর্র্ভবতী রোগের চেকআপ করতে গেলে জন প্রতি দুইশো টাকা দিতে হয়। না দিলে তাদের চেক হয় না। সদর এর এফ.ডব্লিউ.বি সোনিয়া হিজলা উপজেলার জন্য ইওসি টেনিং করে টাকার জোরে চাকুরী করছেন মুলাদিতে, তার বাসুর মুলাদি পৌরসভার বিএনপি’র সিল মারা কমিশনার, স্বামী বিএনপি’র কর্মী। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার মত শক্তি কারো নেই। তাদের ইচ্ছামত তারা করছে। সোনিয়া নিজেই এফ.ডব্লিউ এদের কাছে রোগী বিক্রির ও অভিযোগ আছে।এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ মিঠুর সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করতে গেলে তাকে পাওয়া যায় নি।
সব থেকে দুঃখের বিষয় হল অসিফ সহকারী মাকসুদা’র বদলী হওলার একদিনের মধ্যে বদলী বাতিল হয়ে সে তার নিজের অবস্থানে বসে। এমন কোন কাজ নেই যে সে করে না, যেমন নিয়োগ বানিজ্য, বদলী বানিজ্য, সহ মুলাদি থেকে থেকে কোন কর্মীর ফাইল বরিশালে প্রেরন করতে হলে তাকে টাকা না দেওয়া পর্র্যন্ত সে কাজ করে না। সরকারী রোল অনুসারে প্রতি তিন বছর অন্তর একজনকে বদলী করার কথা থাকলেও তাকে বদলী করার মত শক্তি কারো নাই।
আপনার মতামত লিখুন :