
সোমবার সকাল ১০টা থেকে কুমারখালী রেলস্টেশনে এ কর্মসূচি শুরু হয়। গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহসভাপতি শাকিল আহমেদ তিয়াসের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্টেশন মাস্টারের কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান নেন।
এ সময় স্টেশন এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি দেখা যায়।
ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচির একপর্যায়ে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা আগামী ২৭ জুনের মধ্যে কুমারখালী স্টেশনে অন্তত একটি আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দেন।
পরে প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন আন্দোলনের সমন্বয়কারী শাকিল আহমেদ তিয়াস।
তিনি বলেন, “নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, কুমারখালী একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হওয়া সত্ত্বেও আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ না থাকায় যাত্রীদের দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালুর দাবি জানান তারা।
আপনার মতামত লিখুন :