
নিহত মোহাম্মদ মজিব রাউজান উপজেলার আধারমানিক অলিমিয়ার হাটের আব্দুল মোনাফের ছেলে৷ বিএনপি’র রাজনীতির সাথে জড়িত মজিব স্থানীয় এমপি গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী ছিলেন৷ নিহতের দুই ছেলে। বড় ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন, ছোট ছেলে প্রবাসী৷ এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে পেশাগত ভাবে তিনি বিয়ের ঘঠকালি করতেন বলে জানা যায়৷
ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় যুবদল নেতা রাশেদ বলেন, নিহত মজিব আমার চাচা। তিনি বিএনপি’র রাজনীতির সাথে জড়িত৷ ইফতারের পর অলিমিয়া হাটের একটি চায়ের দোকানে আমরা গল্পসল্প করছিলাম৷ চা পান করে তিনি আমাদের থেকে ১০০ হাত দূরে চলে যান৷ এর কিছুক্ষন পর আমরা হঠাৎ গুলির শব্দ শুনতে পাই৷ আমি দ্রুত তাঁর দিকে ছুটে যাই৷ এসময় মাটিতে পড়ে থাকা মুজিব চাচার মাথা দিয়ে রক্তপাত হচ্ছিল। আমরা আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি সিএনজি এনে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে এসেছি৷ কিন্তু কে বা কারা কেন তাকে হত্যা করেছে সেটা বুঝতে পারছিনা৷
রাউজান উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ বেলাল জানান, মূলত তাকে হত্যা করতেই এসেছিলো অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা৷ তিনি বলেন, মজিব আমার পাশে থাকায় প্রথমে তাকে গুলি করে৷ পরে আমাকে হত্যা করতে তাড়া করে৷ আমি কোন প্রকার সেখান থেকে দৌড়ে এসে প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হই৷ নিহত মজিব তার খালাত ভাই বলে জানান তিনি৷ তবে কে বা কারা কিভাবে এসে এই ঘটনা ঘটিয়েছে সেই বিষয়ে মো: বেলাল কিছু জানাতে পারেনি।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, ইফতারের পর একটি চায়ের দোকানে কয়েকজন বসে গল্প করছিলেন। এ সময় বাইরে থেকে কয়েকজন যুবক এসে গুলি করে। স্থানীয়রা আহতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আমরা ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :