
এম এস শবনম শাহীন: কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২২ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ও সিঅ্যান্ডবি সড়কের চৌমাথায় অবরোধ করে। বেলা ১টার দিকে পুলিশ তাদের সরাতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিক্ষার্থীরা আশপাশের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিরামহীনভাবে পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড মেরে শিক্ষার্থীদের প্রতিহতের চেষ্টা চালায়।
সিঅ্যান্ডবি সড়কের বাসিন্দা মীর্জা লাবু জানান, সিঅ্যান্ডবি সড়ক আবাসিক এলাকা হওয়ায় টিয়ার গ্যাসে বিভিন্ন বাসার শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
জানা যায়, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পুলিশ জলকামান ও সজোয়া যান এনেছে। তবে সংঘর্ষের বিষয়ে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত পুলিশ কোনো বক্তব্য দেয়নি।
বরিশাল শেবাচমি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সজীব জানান, বিকেল ৫টা পর্যন্ত ২২ জন আহত রোগী ভর্তি হয়েছেন। তার মধ্যে শিশু ও মহিলা রয়েছেন। আহতদের বেশিরভাগ টিয়ার গ্যাস ও ইট-পাটকেলে আহত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দূর থেকে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করছে।
এদিকে সংঘর্ষের সময় ছোড়া ইটের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) আশরাফ ভূঁইয়া। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :