
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, জনসম্পৃক্ততা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কারণে কামরুজ্জামান ভূইয়া লুটুলের প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা এখনো অটুট রয়েছে। ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জেল-জুলুম ও নিপীড়নের সম্মুখীন হলেও তা তাকে দমাতে পারেনি।
বরং সব বাধা অতিক্রম করে জনগণের ভালোবাসা ও প্রত্যাশার টানে আবারও তিনি গোপালগঞ্জ-২ আসনে এমপি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হয়েছেন। সাধারণ মানুষ মনে করছেন, একজন ত্যাগী, পরীক্ষিত ও সাহসী নেতৃত্ব হিসেবেই এই আসনের উন্নয়ন ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
সাংবাদিকের এক সাক্ষাৎকারে বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান বলেন, লুটুল ভূইয়ার পরিবার মুক্তিযোদ্ধার পরিবার। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার উদ্দিন ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলি আহমেদ ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ মান্নান ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বশার ভূঁইয়া। এই পরিবারের সন্তান কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুল ৭০ শতাংশ ভোট পেয়ে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হয়। গোপালগঞ্জ সদরের ২-আসনে উপজেলা নির্বাচনে যারা লুটুল ভূইয়াকে ভোট দিয়েছে, তারাই আগামী সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে। বলে জানান তরুন ভোটার লোটন।
এদিকে নির্বাচনী সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই এই আসনে কামরুজ্জামান ভূইয়া লুটুলকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা ও জনসমর্থন জোরালো হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
আপনার মতামত লিখুন :