
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, ২০১৭ সালে অনুমোদনের সময় প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। পরে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়নের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। বর্তমানে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পে ‘মূল্য সমন্বয়’ (প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্ট) শিরোনামে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের একটি প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় একটি ফাইল পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে সেটি এখনো অনুমোদিত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া প্রকল্পে টোল আদায় ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাঁদের দাবি, টোল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন এবং বিষয়টি তদন্ত করা উচিত।
এ বিষয়ে জানতে প্রকল্প পরিচালক মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যানের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, প্রকল্পটি ২০১৮ সালে বাস্তবায়ন শুরু হয় এবং চট্টগ্রাম নগরের যানজট নিরসনের লক্ষ্যে এটি নির্মাণ করা হচ্ছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের পরই প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।
আপনার মতামত লিখুন :