
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিজিবি জানায়, গত ৩ আগস্ট ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের নির্দেশনায় সহকারী পরিচালক মো. হাচানুর রহমানের নেতৃত্বে ১৪ বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খঞ্জনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার মরাডাঙ্গা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে।
গোপন তথ্য অনুযায়ী, বন বিভাগের পুরোনো আকাশমনি বাগানে সংঘবদ্ধ চোরাকারবারীরা একটি দুষ্প্রাপ্য কষ্টিপাথরের মূর্তি কেনাবেচার উদ্দেশ্যে জড়ো হবে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৮টার দিকে সীমান্ত পিলার ২৫০/২-এস থেকে প্রায় ২৩০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা মূর্তিটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৯৪ দশমিক ৭৫০ কেজি ওজনের একটি বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি জানায়, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি স্থানীয় নজিপুর জুয়েলারি সমিতির অভিজ্ঞ কর্মকার প্রাথমিকভাবে দুষ্প্রাপ্য কষ্টিপাথরের তৈরি বলে শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে ৪ আগস্ট প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পাহাড়পুর ইউনিটের প্রতিনিধিরা সরেজমিনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এটিকে ১১–১২ শতকের উচ্চমানের কষ্টিপাথরের তৈরি একটি মূল্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে চিহ্নিত করেন।
পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) জানায়, নওগাঁ ও জয়পুরহাট সীমান্ত এলাকায় অবৈধ সীমান্ত পারাপার, চোরাচালান এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবির অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আপনার মতামত লিখুন :