
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ যেসব মিল বন্ধ রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে পরিদর্শন করা হচ্ছে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ চলছে। তিনি আরও বলেন, নীলফামারীর প্রাচীনতম শিল্পপ্রতিষ্ঠান দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলটি বর্তমানে বন্ধ থাকলেও এটি চালুর জন্য ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। টেন্ডার মূল্যায়নের কাজ চলমান রয়েছে এবং একজন সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীও পাওয়া গেছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে মিলটিতে পুনরায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হবে। প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেন, বন্ধ শিল্পাঞ্চলগুলো সচল করা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এতে দেশের অর্থনীতিতে গতি ফিরে আসবে এবং জেলা পর্যায়ের মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
তিনি বলেন, অতীতের নানা সীমাবদ্ধতা ও অসামঞ্জস্যতা কাটিয়ে সরকার এখন সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায়। বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতিতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পাটশিল্পের পুনরুজ্জীবনের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সোনালী আঁশ’ হিসেবে পরিচিত পাট আমাদের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। পাট জাগ দেওয়ার জন্য পানির সংকট নিরসনে খাল খনন, উন্নত বীজ সরবরাহ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং ফলন বৃদ্ধিতে গবেষণার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। টেক্সটাইল মিল পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী নীলফামারী সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নে অবস্থিত ক্লাসিকাল হ্যান্ডমেড প্রডাক্ট বিডি কারখানাও পরিদর্শন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আলফারুক আব্দুল লতিফ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সাইদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.বি.এম. ফয়জুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আপনার মতামত লিখুন :