
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসানের সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজানুর রহমান। সভায় অনুষ্ঠানস্থলের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা, দর্শনার্থীদের সুযোগ-সুবিধা, যানবাহন চলাচল, তথ্যসেবা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
জেলা প্রশাসক বলেন, লালন শাহ শুধু কুষ্টিয়ার নন, বাংলা ও বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিরোধান দিবস উপলক্ষে দেশ-বিদেশ থেকে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা ছেঁউড়িয়ায় আসেন। তাদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠান উপভোগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে।
কুষ্টিয়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী বলেন, লালনের দর্শন মানবতা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, লালনের দর্শন ও সংগীত বাঙালির অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তিরোধান দিবসের আয়োজন শান্তিপূর্ণ ও যথাযথ মর্যাদায় সম্পন্ন করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় বক্তারা অনুষ্ঠানস্থলে নিরাপত্তা, যানজট নিয়ন্ত্রণ, তথ্যসেবা এবং সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
সভায় কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম, কুষ্টিয়া সাংবাদিক ইউনিয়ন-কেইউজের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি খন্দকার আল মামুন সাগর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু মনি জুবায়েদ রিপনসহ লালন গবেষক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :