কার্পাসডাঙ্গায় নানা আয়োজনে নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত


শিমুল রেজা, চুয়াডাঙ্গা প্রকাশের সময় : ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ ৮০
কার্পাসডাঙ্গায় নানা আয়োজনে নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় মিশনপাড়ার আটচালা ঘরের পাশে কবির স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, কবি-সাহিত্যিক এবং স্থানীয়রা এতে অংশ নেন।

দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে কবির স্মৃতিফলকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কার্পাসডাঙ্গা নজরুল স্মৃতি পাঠাগার প্রাঙ্গণে কবির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তাঁর লেখায় অন্যায়, শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পাশাপাশি প্রেম, মানবতা ও সাম্যের বার্তা ফুটে উঠেছে। স্বল্প সময়ের সৃষ্টিশীল জীবনে কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তিনি অনন্য অবদান রাখেন।

কার্পাসডাঙ্গার সঙ্গে নজরুল ইসলামের রয়েছে গভীর স্মৃতিময় সম্পর্ক। ১৯২৬ ও ১৯২৭ সালে তিনি স্ত্রী প্রমীলা, দুই ছেলে সব্যসাচী ও বুলবুল এবং শাশুড়ি গিরিবালাকে নিয়ে নদীপথে কার্পাসডাঙ্গায় এসেছিলেন। মিশনপাড়ার হর্ষপ্রিয় বিশ্বাসের বাগানবাড়ির আটচালা খড়ের ঘরে তিনি স্বপরিবারে অবস্থান করেন। কবির স্মৃতিবিজড়িত সেই ঘরটি এখনও সংরক্ষিত রয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, কার্পাসডাঙ্গায় অবস্থানকালে নজরুল কবিতা, ছড়া ও গান রচনা করেন। তাঁর স্মৃতি ধরে রাখতে প্রতিবছর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকীতে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

দিনব্যাপী আয়োজনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১