
মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন পরিষদে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যৌন হয়রানি (ইভটিজিং), বাল্যবিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, মাদক, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, আত্মহত্যা রোধ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ওই সভার আয়োজন করা হয়। সভাটি বেলা ৩টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও জেলা প্রশাসক বিকেল ৪টার দিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। দীর্ঘ সময় প্রচণ্ড গরমে অপেক্ষা করতে হয় শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আলেম-ওলামা ও মসজিদের ইমামদের।
সাংবাদিকদের অভিযোগ, অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পর তাঁরা ভিডিও ধারণসহ পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার সাংবাদিকদের ভিডিও ধারণ বন্ধ করতে বলেন এবং দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উবায়দুর রহমান সাহেলকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনি সাংবাদিক কন্ট্রোল করবেন।’ এ ঘটনায় উপস্থিত সাংবাদিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে অনুষ্ঠান বর্জন করেন।
পরে দামুড়হুদা প্রেসক্লাবে সভাপতি শামসুজ্জোহা পলাশের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তানজির ফয়সালের সঞ্চালনায় জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে দামুড়হুদা উপজেলায় জেলা প্রশাসকের সব ধরনের সংবাদ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে অনুষ্ঠানের সভাপতি ও দামুড়হুদা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলি বলেন, ‘ঘটনাটি দুঃখজনক।’
চুয়াডাঙ্গার আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :