
যিনি কলম দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন, তিনিই আবার লিখেছেন ভালোবাসা ও সম্প্রীতির গান। সময় পেরিয়ে গেলেও তার উচ্চারণ মানুষের চেয়ে বড় কিছু নেই আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সামাজিক ও ধর্মীয় বিভাজনের বিরুদ্ধে নজরুল ছিলেন আপসহীন। তার লেখায় যেমন বিদ্রোহের আগুন ছিল, তেমনি ছিল মানবতার কোমল বার্তা।
তার সাহিত্যকর্মে উঠে এসেছে বঞ্চিত মানুষের কথা, শ্রমজীবী মানুষের কষ্ট, নারীর অধিকার এবং শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। মাত্র ৪৩ বছরের সাহিত্য জীবনে তিনি দুই হাজারেরও বেশি গানসহ অসংখ্য কবিতা, উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধ রচনা করেন। বিদ্রোহী, অগ্নিবীণা, সাম্যবাদী ও দোলনচাঁপার মতো সৃষ্টি তাকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাহিত এই কবিকে শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিদিনই ভিড় করেন নানা ধর্ম-বর্ণের মানুষ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নজরুলকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে তার সাহিত্য বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদের উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন। নজরুল শুধু একজন কবি নন, তিনি ছিলেন মানবতা ও সম্প্রীতির জীবন্ত প্রতীক—যার আদর্শ আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম নিয়ে আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
আপনার মতামত লিখুন :