
তাদের এই আত্মত্যাগের মাধ্যমেই আমরা আমাদের মায়ের ভাষা বাংলাকে ফিরে পাই এবং আমাদের স্বাধীনতার প্রাপ্তীর আরও একধাপ এগিয়ে যাই। এদিনটি শুধু বাংলাদেশের মানুষের জন্য নয় এটি আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত একটি মাতৃভাষা। ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়াটি ছিল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর (UNESCO) ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিল বাংলাদেশ এবং এতে ২৮টি দেশ সমর্থন জানিয়েছিল।
পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এই দিবসটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করা হয়। এর ফলে ২০১০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এটি আরও ব্যাপকভাবে পালিত হতে শুরু করে। এই স্বীকৃতির পেছনে কানাডা প্রবাসী দুই বাংলাদেশি রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালাম এবং তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ ভূমিকা ছিল। তাঁদের উদ্যোগেই আজ বিশ্বের সকল মানুষের মাতৃভাষা রক্ষার এই দিনটি আন্তর্জাতিক মর্যাদা পেয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় এ বছরও যথাযথ সন্মান ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
সারাদেশের ন্যায় আজ সাভার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পালন হচ্ছে এ দিবসটি। রাতের প্রথম প্রহরে উপজেলা কমপ্লেক্স চত্বরে স্থাপিত শহিদ মিনার বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু,সাথে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম, সাভার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) আবদুল্লাহ আল আমিন,আমিন বাজার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভুমি) শাহাদাত হোসেন খানসহ বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতাকর্মীরাও শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দিনব্যাপী এ দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসুচীও পালন করবে বিভিন্ন সংগঠন ও স্কুল কলেজগুলো।
আপনার মতামত লিখুন :