
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
মামলাটির বিচারকাজ প্রায় আট মাস চলার পর রায় ঘোষণা করা হলো। এর আগে গত ১৭ আগস্ট ট্রাইব্যুনাল-২ মামলাটির যুক্তিতর্ক গ্রহণ শেষ করে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছিলেন। প্রসিকিউশন আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আবেদন জানিয়েছিল।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ ছিল, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্দেশনা, উসকানি, সহায়তা ও সমন্বয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের ওপর ব্যাপক ও পদ্ধতিগত হামলা এবং হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়।
প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তৎকালীন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে ওবায়দুল কাদের আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যবহারে ভূমিকা রেখেছিলেন।
বাহাউদ্দিন নাছিমের বিরুদ্ধে আন্দোলন দমনে দলের সহিংস অবস্থান ও বিভিন্ন পদক্ষেপে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়। আর মোহাম্মদ আলী আরাফাতের বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ এবং আন্দোলনকেন্দ্রিক হত্যা ও সহিংসতার খবর প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করে প্রসিকিউশন।
যুবলীগের শীর্ষ দুই নেতা শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খান নিখিলের বিরুদ্ধে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঠে নামানো এবং সহিংসতায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়। অন্যদিকে, ছাত্রলীগের সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের বিরুদ্ধে সশস্ত্র কর্মীদের জড়ো করা ও হামলার সমন্বয়ের অভিযোগ ছিল।
রায়ের বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ ও আসামিদের বিরুদ্ধে কোন কোন অভিযোগে কী সাজা দেওয়া হয়েছে, তা ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্পষ্ট হবে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
Google-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :