
টানা দ্বিতীয় মাসের মতো ওপেক-প্লাস দেশগুলো আগামী মে মাস থেকে দৈনিক ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল (বিপিডি) তেল উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে।
জোটভুক্ত দেশের মধ্যে প্রধান তেল উৎপাদনকারী রাশিয়া ও সৌদি আরবের পাশাপাশি ইরানি বিমান হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া বেশ কিছু উপসাগরীয় দেশও রয়েছে।
আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে পারে সরকার
তবে ওপেক-প্লাস সতর্ক করেছে যে, জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি তেলের বাজারে অস্থিরতা বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। জোটের বিবৃতিতে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথগুলো সুরক্ষিত রাখার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের ৬টি জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান
বিবৃতিতে সরাসরি ‘ইরান যুদ্ধ’-এর নাম উল্লেখ করা না হলেও, বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং দাম বৃদ্ধির পেছনে এই সংঘাতের প্রভাব যে সিদ্ধান্তের ওপর বড় ভূমিকা রেখেছে, তা স্পষ্ট।
আপনার মতামত লিখুন :