
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, উৎপাদন পর্যায় থেকেই যদি প্রতিটি পণ্যের তথ্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিস্টেমে যুক্ত করা যায়, তবে মাঠপর্যায়ে কর ফাঁকি শনাক্ত করা সহজ হবে। বিশ্বের অনেক দেশ এরই মধ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য সফলতা পেয়েছে।
বাংলাদেশেও এই পদ্ধতি চালু হলে ক্রেতারা সরাসরি পণ্য স্ক্যান করে তার বৈধতা ও ভ্যাট পরিশোধের তথ্য জানতে পারবেন। কোনো অনিয়ম লক্ষ্য করলে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো যাবে এবং তথ্য প্রদানকারীকে পুরস্কৃত করার ব্যবস্থাও থাকবে। তিনি আরও জানান, তামাক খাতে রাজস্ব ফাঁকির প্রবণতা সবচেয়ে বেশি হওয়ায়
এই খাত দিয়েই ডিজিটাল ট্র্যাকিং শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত ব্যান্ডরোলের নকশা ও আঠার ধরন পরিবর্তন করে উন্নতমানের কিউআর কোড যুক্ত করা হবে। পরবর্তীতে এটি সাবান, শ্যাম্পু ও টিস্যুসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যেও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :