
সফর শেষে মরিশাসে একটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে যোগ দেবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। যাত্রাপথে এয়ার মরিশাসে বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সহযাত্রীও হবেন।
এদিকে দিল্লি সফর, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং মরিশাসে যাওয়াসহ দীর্ঘ সময় দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনার বিস্তর সুযোগ থাকছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সম্পর্কোন্নয়নে দুই দেশই চেষ্টা চালাতে পারে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
বিশেষ করে মাত্র দু’তিনমাস আগেও যে ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কে রীতিমতো অস্বস্তি আর শীতলতা ছিল, সেই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জয়শঙ্করের একসঙ্গে দীর্ঘ বিমানযাত্রার সিদ্ধান্তই বলে দেয় দুই দেশই তাদের সম্পর্কোন্নয়নে চেষ্টা চালাবে।
সূত্র জানায়, ৭ এপ্রিল দিল্লিতে পা রাখার পর ৯ এপ্রিল সকালেই দিল্লি থেকে খলিলুর রহমান সরাসরি মরিশাসের উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে তিনি নবম ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
ভারত থেকে জ্বালানি আমদানিতে গ্রিন সিগন্যাল মিলেছে: শামা ওবায়েদ
ওই সম্মেলন যৌথভাবে আয়োজন করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আর দিল্লির শীর্ষস্থানীয় থিংকট্যাঙ্ক ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নিজেও সেখানে যোগ দেবেন। ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্টের পদে আবার আছেন আরএসএস তথা বিজেপি নেতা রাম মাধব।
আপনার মতামত লিখুন :