
১৯৪১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত পরিবারে জন্ম নাভি পিল্লাইয়ের। বর্ণবৈষম্যের পরিবেশে বেড়ে ওঠা পিল্লাই আইন পেশায় যুক্ত হয়ে বর্ণবাদবিরোধী কর্মী ও রাজনৈতিক বন্দিদের অধিকার রক্ষায় কাজ করেন। নেলসন ম্যান্ডেলাসহ বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের পক্ষে আইনি লড়াইয়েও যুক্ত ছিলেন তিনি।
১৯৯৫ সালে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী বিচারক হন। পরে রুয়ান্ডার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রেসিডেন্ট এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ছিলেন পিল্লাই। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। বর্তমানে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাম্বিয়ার করা মামলায় তিনি অ্যাড হক বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নোবেল কমিটির মতে, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে পিল্লাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। আন্তর্জাতিক আইন ও আইনের শাসন রক্ষায় তাঁর দীর্ঘদিনের অবদানই এবারের শান্তি পুরস্কারের মূল স্বীকৃতি।
আপনার মতামত লিখুন :